SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়

প্রিয় ‍SSC পরীক্ষার্থী,তোমরা জানো আমরা ধারাবাহিকভাবে নবম দশম শ্রেনির জীব বিজ্ঞান বইয়ের সব গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো সম্পর্কে আলোচনা করতেছি। ইতিমধ্যে আমরা জীব বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় (জীবন পাঠ) :গুরুত্বপূর্ণ টপিক    আপডেট দিয়েছি।আজ SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় : গুরুত্বপূর্ণ সব টপিক সম্পর্কে বিস্তারিত সবকিছু পেয়ে যাচ্ছ।   নবম দশম শ্রেনির জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় টি অনেক বড় হওয়ায় এটির উপর আমরা ২টি ক্লাস আপলোড দিব। এটি ১ নম্বর ক্লাস।২য় ক্লাসটি খুব দ্রুতই আপলোড করা হব ইনশাআল্লাহ। SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় এর এই বিষয়গুলো তোমরা মনোযোগ দিয়ে পড়বে।এটি তোমার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর করতে সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।  SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়

 

SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়  গুরুত্বপূর্ণ সব টপিক

 

কোষ কাকে বলে?

লোয়ি (Loewy) এবং সিকেভিজ (Siekevitz) 1969 সালে বৈষম্য ভেদ্য (selectively permeable) পর্দা দিয়ে আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ছাড়াই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে, এমন সত্তাকে কোষ বলেছেন।জীব দেহের গঠন ও কার্যিক একককে কোষ বলে।

প্রকারভেদঃ

নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের-

১।আদি কোষ এবং

২।প্রকৃত কোষ

আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ (Prokaryotic cell)

এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না।  এজন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়।  এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও-বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে।  নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়।

 

(b) প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ (Eukaryotic cell)

এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত। এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়।

 

কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের, দেহকোষ এবং জননকোষ।

দেহকোষ (Somatic cell):

বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে। মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে। বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়।

জননকোষ (Gametic cell):

যৌন প্রজনন ও জনুঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়।মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে। জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে।

 

SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়  গুরুত্বপূর্ণ সব

টপিক

ঝিল্লিযুক্ত সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু

(a) মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria) :

শ্বসনে অংশগ্রহণকারী এ অঙ্গাণুটি 1886 (মতান্তরে 1894) সালে আবিষ্কার করেন রিচার্ড অল্টম্যান এবং এর নাম দেন ‘বায়োব্লাস্ট, তবে বর্তমানে প্রচলিত নামটি দেন বিজ্ঞানী বেনডা।মাইটোকন্ড্রিয়া  দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী বা ঝিল্লি দিয়ে ঘেরা। ভিতরের স্তরটি ভিতরের দিকে আঙ্গুলের মতো ভাঁজ হয়ে থাকে। এদের ক্রিস্টি (cristae) বলে। ক্রিস্টির গায়ে বৃতযুক্ত গোলাকার বস্তু থাকে, এদের অক্সিজোম (oxisomes) বলে। অক্সিজোমে উৎসেচকগুলো (enzymes) সাজানো থাকে। মাইটোকন্ড্রিয়নের (এক বচন) ভিতরে থাকে ম্যাট্রিক্স (matrix)।

মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষেরশক্তি উৎপাদন কেন্দ্রবাপাওয়ার হাউসবলা হয় কেন

মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের ‘শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র’ বা ‘পাওয়ার হাউস’ বলা হয়।কারন,

জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ।শ্বসন ক্রিয়ার ধাপ চারটি: গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র। এর প্রথমধাপ (গ্লাইকোলাইসিসের বিক্রিয়াগুলো) মাইটোকন্ড্রিয়ায় ঘটে না। তবে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপ মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যেই সম্পন্ন হয়। শ্বসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্রেবস চক্রে (তৃতীয় ধাপে) অংশগ্রহণকারী সব উৎসেচক উপস্থিত থাকায় এ বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়াতেই সম্পন্ন হয়। ক্রেবস চক্রে সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদিত হয়। এজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের ‘শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র’ বা ‘পাওয়ার হাউস’ বলা হয়। জীব তার বিভিন্ন কাজে এই শক্তি খরচ করে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সকল উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষে মাইটোকন্ড্রিয়া পাওয়া যায়।প্রাককেন্দ্রিক কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে না।

 

SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিকের একটি হলো প্লাস্টিড এই টপিকটি থেকে প্রচুর পরিমাণ সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনী প্রশ্ন হয়ে থাকে।সুতরাং তোমরা SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় এর এই সবগুলো টপিকই মনোযোগ দিয়ে পড়বে।

(b) প্লাস্টিড (Plastid) কী?

উত্তর:জীবদেহের রং ধারনকারী অঙ্গানুকে প্লাস্টিড বলে

বিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল 1866 সালে উদ্ভিদ কোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু প্লাস্টিড আবিষ্কার করেন।

প্লাস্টিড তিন ধরনেরক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট।

 

(i) ক্লোরোপ্লাস্ট (Chloroplast):

সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। পাতা, কচি কাণ্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। প্লাস্টিডের গ্রানা (grana) অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে (stroma) অবস্থিত উৎসেচকসমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভিতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। এই প্লাস্টিডে ক্লোরোফিল থাকে, তাই এদের সবুজ দেখায়। এছাড়া এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে।

 

(ii) ক্রোমোপ্লাস্ট (Chromoplast):

এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল (হলুদ), ক্যারোটিন (কমলা), ফাইকোএরিথ্রিন (লাল), ফাইকোসায়ানিন (নীল) ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনোটিকে হলুদ, কোনোটিকে নীল আবার কোনোটিকে লাল দেখায়। এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা এদের প্রধান কাজ। এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে।

 

(iii) লিউকোপ্লাস্ট (Leucoplast):

যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, (যেমন: মূল, ভূণ, জননকোষ ইত্যাদি) সেখানে এদের পাওয়া যায়। এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে।

 

SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়  গুরুত্বপূর্ণ সব

টপিক

 

SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়  🙁ঝিল্লিবিহীন সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু)

(a) কোষকঙ্কাল (Cytoskeleton)

কোষঝিল্লি অতিক্রম করে কোষের ভিতরে ঢুকলে প্রথমেই কোষকঙ্কাল নজরে পড়বে। সেটি লম্বা এবং মোটা-চিকন মিলিয়ে অসংখ্য দড়ির মতো বস্তু যা কোষের চারদিকে জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। কোষকঙ্কাল ভিতর থেকে কোষটিকে ধরে রাখে। অ্যাকটিন, মায়োসিন, টিউবিউলিন ইত্যাদি প্রোটিন দিয়ে কোষকঙ্কালের বিভিন্ন ধরনের তন্তু নির্মিত হয়। মাইক্রোটিউবিউল, মাইক্রোফিলামেন্ট কিংবা ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট এ ধরনের তনুর উদাহরণ।

 

  1. b) রাইবোজোম (Ribosome)

এই ঝিল্লিবিহীন বা পর্দাবিহীন অঙ্গাণুটি প্রধানত প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে। প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন এই রাইবোজোমে হয়ে থাকে। এছাড়া রাইবোজোম এ কাজে প্রয়োজনীয় উৎসেচক সরবরাহ করে থাকে। উৎসেচক বা এনজাইমের কাজ হলো প্রাণরাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে দেওয়া। উল্লেখ্য, মাইটোকন্ড্রিয়ার ম্যাট্রিক্স (এবং প্লাস্টিডের স্ট্রোমাতেও রাইবোজোম থাকে, যেগুলো ঐ অঙ্গাণুসমূহের নিজস্ব ডিএনএ-এর সংকেত অনুযায়ী প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়, ঠিক যেমন একটি ব্যাকটেরিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত নি রাইবোজোম সেই কোষের জন্য প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। জৈব অভিব্যক্তির ধারায় অন্য কোষের অংশ হয়ে ওঠার আগে এই দুটি অঙ্গানু যে একসময় স্বাধীনভাবে বসবাস করতো, তার সপক্ষে এটিও একটি প্রমাণ।

 

  1. c) সেন্ট্রোজোম (Centrosome)

এটি প্রাণিকোষের বৈশিষ্ট্য, প্রধানত প্রাণিকোষে এদের পাওয়া যায়। নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ কোষে কদাচিৎ এদের দেখা যায়। প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায়, তাদের সেন্ট্রিওল বলে। সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত গাঢ় তরলকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার এবং সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্ট্রিওলকে সেন্ট্রোজোম বলে।

সেন্ট্রোজোমের কাজ

সেন্ট্রোজোমে থাকা সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার রে তৈরি করে। এছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোমের অবদান রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্লাজেলা সৃষ্টিতে এরা অংশগ্রহণ করে।

SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়  গুরুত্বপূর্ণ সব টপিক

SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক হলো নিউক্লিয়াস ।চলো এইবার নিউক্লিয়াস সম্পর্কে আলোচনা করা যাক।

নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রিকা (Nucleus)

জীবকোষের প্রোটোপ্লাজমে নির্দিষ্ট পর্দাঘেরা ক্রোমোজোম বহনকারী সুস্পষ্ট যে বস্তুটি দেখা যায় সেটিই হচ্ছে নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসে বংশগতির বৈশিষ্ট্য নিহিত থাকে।  সুগঠিত নিউক্লিয়াসে নিচের অংশগুলো দেখা যায়।

 

(a) নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (Nuclear membrane)

নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে যে ঝিল্লি, তাকে নিউক্লিয়ার ঝিল্লি বা কেন্দ্রিকা ঝিল্লি বলে। এটি দুই স্তর বিশিষ্ট। এই ঝিল্লি লিপিড ও প্রোটিনের সমন্বয়ে তৈরি হয়। এই ঝিল্লিতে মাঝে মাঝে কিছু ছিদ্র থাকে, যেগুলোকে নিউক্লিয়ার রন্ধ্র বলে। এই ছিদ্রের ভিতর দিয়ে নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজমের মধ্যে কিছু বস্তু চলাচল করে। নিউক্লিয়ার ঝিল্লি সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসের অন্যান্য বস্তুকে পৃথক রাখে এবং বিভিন্ন বস্তুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

 

(b) নিউক্লিওপ্লাজম (Nucleoplasm)

নিউক্লিয়ার ঝিল্লির ভিতরে জেলির মতো বস্তু বা রস থাকে।  একে কেন্দ্রিকারস বা নিউক্লিওপ্লাজম বলে।  নিউক্লিওপ্লাজমে নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন, উৎসেচক ও কতিপয় খনিজ লবণ থাকে।

(c) নিউক্লিওলাস (Nucleolus)

নিউক্লিওপ্লাজমের মধ্যে ক্রোমোজোমের সাথে সংলগ্ন গোলাকার বস্তুকে নিউক্লিওলাস বা কেন্দ্রিকাণু’ বলে।  ক্রোমোজোমের রংঅগ্রাহী অংশের সাথে এরা লেগে থাকে। এরা RNA ও প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়।  এরা রাইবোজোম সংশ্লেষণ করে।

(d) ক্রোমাটিন জালিকা (Chromatin reticulum)

বিভাজন চলছে না, এমন কোষের নিউক্লিয়াসের মধ্যে সুতার মতো জিনিস জট পাকিয়ে থাকতে দেখা যায়।  এই সুতাগুলো হলো ক্রোমাটিন। ক্রোমাটিন (তথা ক্রোমোজোম) মূলত DNA এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত জটিল কাঠামো, যা জেনেটিক বৈশিষ্ট্যসমূহ বংশপরাম্পরায় সঞ্চারিত হওয়ার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। চলন্ত অবস্থায় সিলিং ফ্যানের ব্লেড গোনা যেমন অসম্ভব, বিভাজন চলছে না এমন নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন সুতা/তদু কতগুলো সেটা বোঝাও তেমনি অসম্ভব। জট পাকিয়ে থাকা সেই আলাদা তনুগুলোকে একসাথে ক্রোমাটিন জালিকা (chromatin reticulum) বা নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম বলা হয়। কোষ বিভাজনের সময় সেই জট কিছুটা খুলে যায় এবং ক্রোমাটিনগুলো তখন আরো মোটা এবং খাটো হয়।

 

SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় এর যেসব টপিক সম্পর্কে আজ তোমরা জানলে সে সম্পর্কে তোমদের মন্তব্য জানাতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হয়ে যাও এখনই!

 

Follow us on Facebook: EduEnrich With Emon

Subscribe Our YouTube Channel :EduEnrich With Emon

2 thoughts on “SSC জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়”

  1. Pingback: নবম দশম শ্রেণির জীব বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় ।।Part -2 - Janbe Tumio

  2. Pingback: নবম দশম শ্রেণির জীব বিজ্ঞান ৩য় অধ্যায় - Janbe Tumio

Leave a Reply

Scroll to Top